এমার্জেন্সি নম্বর :
90 5171 5171 / 83340 31345

কান,নাক এবং গলা থেকে ফরেন বডিস দূর করা (লোকাল অ্যানাস্থেশিয়া )

 

কান,নাক এবং গলা থেকে ফরেন বডিস দূর করা (লোকাল অ্যানাস্থেশিয়া ) : জেনে নিন আপনার প্যাকেজ মূল্য এবং অন্যান্য বিবরণ

এই প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে :

  • 8 ঘন্টার জন্য বেডচার্জ
  • এই প্যাকেজের সঙ্গে যুক্ত সব টেস্ট, ওষুধ ও আনুষাঙ্গিক জিনিসের খরচ ।
  • ডাক্তারের ফি
  • অপারেশন থিয়েটর এর চার্জ

 

এই প্যাকেজের মধ্যে নেই :

  • এই প্যাকেজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয় ,যেকোন অসুস্থতার চিকিৎসা ও টেস্টের খরচ
  • প্রসিডিওরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয় এমন জাতীয় ইনভেস্টিগেশন
আরও জানতে
ই-মেল:info@desunhospital.com (24 ঘন্টা) অথবা,
 ফোন:(+91) 86977 21124 / (+91) 83340 31345 (সোম – শনি, সকাল 10 টা – সন্ধ্যে 6 টা)
 

কানের মধ্যে ফরেন বডিস ঢুকে থাকলে

গলার মধ্যে ফরেন বডিস ঢুকে থাকলে

 

 

ফরেন বডিস কাকে বলে ?

শরীরের বাইরে কোনও প্রকার বস্তু । শরীরের যেকোনও অংশে এই অবাঞ্ছিত বস্তু ঢুকে যেতে পারে । ফরেন বডিস আপনার বিরক্তির কারন হয়ে দাঁড়াতে‌ পারে । এই জাতীয় ফরেন বডিস পরে ইনফেকশন সৃষ্টি করতে পারে । অথবা শরীরের স্বাভাবিক রোধ প্রতিরোধক ক্ষমতার বিরুদ্ধে গিয়ে ইনফেক্শনকে বাড়িয়ে তোলে । কোন কোন ক্ষেত্রে তারা শরীরের ভেতরে প্যাসাজ ওয়েকে নিজের সাইজের মাধ্যমে আটকে দেয় । আবার কোন কোন ফরেন বডিস বিপদ বাড়িয়ে তোলে । কিছু কিছু ফরেন বডিস টোক্সিক বহন করে আনে ।

 

কানের মধ্যে ফরেন বডিস ঢুকে থাকলে

কানের লতি অথবা গর্তের মধ্যে ফরেন বডিস ঢুকে যেতে পারে । বিশেষ করে কানের গর্ত বা লতিতেই এই জাতীয় বডিস মেলে । তার ফলে এইসমস্ত অংশে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয় ।

নিচে কয়েকটি বস্তুর নাম দেওয়া হল যা কানের গর্তে বেশিরভাগ সময় ঢুকে যেতে পারে -

  • খাবার
  • কীটপতঙ্গ
  • খেলনা (বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে)
  • বোতাম

কানে ফরেন বডিস থাকার লক্ষণ

কানে ফরেন বডিস জাতীয় বস্তু থেকে থাকলে অনেকসময় তার কোন উপসর্গ বোঝা যায়না । খাবার বা কীটপতঙ্ক কানে ঢুকে গেলে যন্ত্রনা হয় । কানে চুলকুনি বাড়িয়ে ক্ষতি করে ।অনেকসময় এই জাতীয় বস্তু কানের গর্তে ঢুকে শ্রবনশক্তি নষ্ট করে তোলে ।

ফরেন বডিস কানে ঢুকে গেলে তার চিকিৎসা পদ্ধতি

কানে অবাঞ্ছিত কোন বস্তু ঢুকে থাকলে শীঘ্রই আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কানের গর্ত থেকে কি করে ফরেন বডিস বার করা হয় নিচে তার কিছু পদ্ধতি উল্লেখ করা হল

  • কানের ভিতর থেকে ফরেন বডিস দূর করার জন্য বিশেষ যন্ত্র ব্যবহার করা হয় ।
  • যদি বস্তুটি ধাতব পদার্থ হয়ে থাকে । তাহলে চুম্বক ব্যবহার করা হয় ।
  • জল দিয়ে কানের গর্ত পরিস্কার করা হয়।
  • একটি বিশেষ প্রকারের মেশিন বা যন্ত্রের সাহায্যে বস্তুটিকে কান থেকে বের করে আনা হয় ।

কান থেকে ফরেন বডিস বের করে আনার পর আপনার ফিজিশিয়ান পুনরায় কানের গর্ত পরীক্ষা করে দেখেন । যদি কোন ক্ষত তৈরী হয় তা যাজাই করার জন্য কানের গর্ত পরীক্ষা করা হয় । এরপর কানের গর্তে এক বিশেষ অ্যান্টিবায়োটিকস ড্রপসও দিতে পারেন তিনি ।

 

নাকে ফরেন বডিস ঢুকে থাকলে

সাধারণত নরম বস্তু নাকে ঢুকে যায় । কোন বস্তুর গন্ধ শুকতে গিয়ে তা আচমকা নাকে চলে যেতে পারে । বেশিরভাগ সময় শিশুরা বোর হয়ে বা কৌতুহলবশত অথবা অন্যকোন শিশুকে দেখে কোন বস্তুর গন্ধ শুকতে গিয়ে বিপদ বাড়ায় ।

নিচে কয়েকটি সাধারন দ্রব্যের নাম উল্লেখ করা হল যা নাকে ঢুকে যেতে পারে

  • মাটির দানা
  • খেলনার ছোট অংশ (শিশুদের ক্ষেত্রে)
  • রবার(শিশুদের ক্ষেত্রে)

নাকে ফরেন বডিস থাকার লক্ষণ

নাকে কোনও প্রকার ফরেন বডিস ঢুকে গিয়ে থাকলে তা সবার প্রথমে শ্বাস প্রশ্বাসে ক্ষতি করে । নাকের যে দিকে বস্তুটি ঢুকেছে সেই অংশের ক্ষতি করে থাকে । এমনকি কোনও কোন ক্ষেত্রে নাক থেকে রক্তপাত হয় ।

ফরেন বডিস নাকে ঢুকে গেলে তার চিকিৎসা পদ্ধতি

কোন অপ্রীতিকর কারনে নাকে ফরেন বডিস ঢুকে গেলে দেরি না করে শীঘ্রই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিৎ । কোন কোন ক্ষেত্রে রোগীর নাক থেকে অবাঞ্ছিত দ্রব্য বার করতে রোগীকে সেডাশন বা সামান্য তন্দ্রাচ্ছন্ন করে রাখা জরুরী হয়ে পড়ে । হাসপাতালেই এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা হয় । নাকে ফরেন বডিস ঢুকে গেলে চিকিৎসকরা তা কিভাবে বার করেন সেই বিষয়ে নিচে কিছু পদ্ধতির কথা দেওয়া হল

  • টিউবের সঙ্গে সাকশন মেশিন যুক্ত করে বার করা হয় ।
  • নাকের ভেতরে যন্ত্র ঢুকিয়ে অবাঞ্চিত দ্রব্য বার করে আনা হয়।

নাক থেকে ফরেন বডিস বের হয়ে এলে আপনার চিকিৎসক আপনাকে নাকের ড্রপ বা অ্যান্টিবায়োটিক ওয়েনমেন্ট দেবেন । যেকোনও প্রকার সংক্রমনের সম্ভাবনা এড়াতে চিকিৎসক এই ওষুধের পরামর্শ দিয়ে থাকেন ।

 

গলায় ফরেন বডিস ঢুকে থাকলে

মানুষের শরীরে গলাতেও বিভিন্ন কারনে ফরেন বডিস ঢুকে যেতে পারে । স্কালের বেস ( ন্যাসোফ্যারনিক্স) সহযোগে গলার শিরা উপশিরা ধমনি গড়ে ওঠে । হাইপোফারনিক্স লারিনাক্স ও ট্রেকিয়া ও এসোফাগাসকে ধরে । যেকোনও ধরনের ফরেন বডিস মেডিক্যাল এমার্জেন্সির আওতায় পড়ে । এই জাতীয় সমস্যা দেখা দিলে এয়ারওয়ে প্রটেকশনের প্রয়োজন পড়ে । সঠিক সময়ে ফরেন বডিস উপযুক্ত চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে বের করে না আনলে পরে তা থেকে জটিল অসুখ হতে পারে ।

নিচে কয়েকটি বস্তুর নাম দেওয়া হল যা গলায় বেশিরভাগ সময় ঢুকে থাকে-

    • মাছের কাটা
    • কয়েন
    • অন্যন্য রেডিওপাক বস্তু

গলায় ফরেন বডিস থাকার লক্ষণ

  • চোকিং
  • ডিসফেজিয়া
  • ওডাইনোফেজিয়া
  • ডিসফোনিয়া
  • আনডায়গানোসড কাফিং
  • স্ট্রিডর
  • হর্সনেস (গলার খসখসে স্বর)

ফরেন বডিস গলায় ঢুকে গেলে তার চিকিৎসা পদ্ধতি

খুব দ্রুত এই বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ । কারন গলায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ফরেন বডিস ঢুকে থাকলে তা খালি চোখে দেখা যায় না তখন ফ্লেক্সিবল ও রিজিড এন্ডোস্কপি করার প্রয়োজন হয় । গলা থেকে ফরেন বডিস বের করে আনা একটু কষ্টকর । এক্ষেত্রে এয়ারওয়ে যাতে কোনওভাবে ক্ষতি না হয় তা চিকিৎসককে লক্ষ্য রাখতে হয় । বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গলা থেকে ফরেন বডিস বের করে আনার সময় অটোল্যারিঞ্জোলজি ইন্টারভেনশন ,সিডেশন ও এন্ডোস্কপিক রিমুভালের প্রয়োজন হয় ।

 

কীভাবে ডিসানে প্যাকেজের পেমেন্ট নেওয়া হয় ?

  • নগদ টাকায় বা ক্রেডিট / ডেবিট কার্ডে চিকিৎসার খরচ দেওয়া যেতে পারে ।
 

চিকিৎসার জন্য রোগীরা ডিসানকেই বেছে নেন কেন ?

ভারতে সবচাইতে ভাল হসপিটাল গুলির মধ্যে, ডিসান একটি

  • সবচাইতে কম সময়ের মধ্যে, ভারত সরকারের কাছ থেকে উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য ডিসান, NABH (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর হসপিটালস) স্বীকৃতি লাভ করেছে । পুরো ভারতে NABH সংস্থা কে J.C.A.H.O (জয়েন্ট কমিশন ফর আমেরিকান হেলথ কেয়ার অর্গানাইজেশন) এবং J.C.I (জয়েন্ট কমিশন ইন্টারন্যাশনাল) এর সমান মনে করা হয় । এই দুই সংস্থার নিরিখেই আমেরিকার হসপিটালগুলিকে স্বীকৃতি
    দেওয়া হয় ।
  • নভেম্বর, 2011-র “দি উইক” নামে এক জাতীয় পত্রিকা, পুরো ভারতে সমীক্ষা (সার্ভে) করে “ভারতের সেরা হসপিটাল” এর একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল । ডিসান হসপিটাল ছিল, সেই তালিকার প্রথম দশের মধ্যে ।
  • উচ্চমানের দৈনিক ও অত্যাধুনিক (সুপারস্পেস্যালিটি) প্যাথলজি টেস্টের জন্য, ডিসানের প্যাথলজি ল্যাব NABL (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর ল্যাবরোটরি) স্বীকৃতি পেয়েছে । পূর্ব-ভারতে একমাত্র ডিসান প্যাথলজি ল্যাব, PCR ও ফ্লো সাইটোমেট্রির মত বিশেষ টেস্ট গুলি নিজেদের ল্যাবেই করে থাকে; যার ফলে রোগীদের চিকিৎসায় অনেক সাহায্য হয় । অনান্য হসপিটালে এইসব টেস্ট গুলি করতে, মুম্বই বা দীল্লী পাঠানো হয় । ফলে রোগীদের টেস্টের রিপোর্ট জানতে 3 থেকে 4 দিন অপেক্ষা করতে হয় । কিন্তু ডিসানের নিজস্ব সুপারস্পেস্যালিটি ল্যাব থাকায় রোগীদের অপেক্ষা করতে হয় না ও চিকিৎসাও খুব তাড়াতাড়ি ও সঠিক ভাবে শুরু করা যায় ।
 

রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের মানদন্ডে, ডিসান প্রথমে

  • পশ্চিমবঙ্গ স্বাহ্য পরিকল্পনা (ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের মাত্র 7টি হসপিটাল “ক্লাস 1 সার্ভিস প্রোভাইডার” (প্রথম শ্রেনীর পরিষেবা প্রদানকারী হসপিটাল) হিসেবে বিবেচিত। ডিসান, এদের মধ্যে প্রথম।
  • পূর্ব-ভারতে 100 টিরও বেশী হসপিটাল কেন্দ্রীয় স্বাহ্য পরিকল্পনা (সেন্ট্রাল গভর্মেন্ট হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে যুক্ত । এদের মধ্যে আবার মাত্র দুটি হসপিটাল উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য “সুপারস্পেস্যালিটি হসপিটাল” (অত্যাধুনিক হসপিটাল) এর মর্যাদা পেয়েছে ও ডিসান তার মধ্যে একটি ।
 

অপারেশন করার জন্য, ডিসানই সবচাইতে সুরক্ষিত

  • অপারেশনের সময় যেকোন সার্জেনের, প্রধান যেদুটি ভয় থাকে সেগুলি হল; অপারেশন থিয়েটর থেকে ইনফেকশন ছড়ানোর ভয় ও দ্বিতীয়টি হল অপারেশনের আগে বা পড়ে আসা কোন কার্ডিয়াক সমস্যা । এই দুটির মধ্যে যেকোন একটি হলে, খুব ভাল চিকিৎসকেরও কিছু করার থাকে না । ডিসান হসপিটাল, কলকাতার একমাত্র হসপিটাল যেখানে অপারেশন থিয়েটর সম্পূর্ন স্টীলের (স্টীল ওটি) যার ফলে, ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় থাকেই না । এবং হার্টের সমস্যা সামলানোয় ডিসান, কলকাতার সবচেয়ে বড় হার্ট ইনস্টিটিউট । ডিসানে, অপারেশনের পরেও রোগীকে, চিকিৎসক ও নার্সের বিশেষ দেখভালে রাখা হয় ।
 

সব সময়ের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা, ডিসানে উপস্থিত

  • ডিসানের 28 টি মেডিকেল বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা 24 ঘন্টার জন্যই উপস্থিত । কোন রোগী বিশেষ কোন সমস্যা নিয়ে ভর্তি হওয়ার পর, তার সাথে আরও বিভিন্ন সমস্যা আসতে দেখা যায়, যার জন্য অন্য বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রয়োজন হতে পারে । এইক্ষেত্রে ডিসানে, তার নিজস্ব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সব সময়ের জন্য উপস্থিত থাকে যা অন্য হসপিটালে অনেক সময়ই থাকে না ।
 

Important Contacts

দ্রুত যোগাযোগ

আপনার প্রতিবেদন সংযুক্ত