এমার্জেন্সি নম্বর :
90 5171 5171 / 83340 31345

নি-রিপ্লেসমেন্ট

 

নি-রিপ্লেসমেন্ট (হাঁটু বদলানো) : জেনে নিন আপনার প্যাকেজ মূল্য এবং অন্যান্য বিবরণ

এই প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে :

  • হসপিটালে 10 দিনের বেড চার্জ
  • এই প্যাকেজের সাথে যুক্ত সব টেস্ট, ওষুধ ও আনুষাঙ্গিক জিনিসের খরচ
  • ডাক্তারের ফি
  • অপারেশন থিয়েটর এর চার্জ

 

এই প্যাকেজের মধ্যে নেই :

  • নি –এর (হাঁটুর) দাম
  • 10 দিনের বেশী হসপিটালে থাকার খরচ
  • এই প্যাকেজের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, যে কোনো অসুস্থতার চিকিৎসা ও টেস্টের খরচ

 

বাইরে থেকে আসা রোগীর পরিবারের থাকার ব্যবস্থা

ভিন্ন রাজ্য বা দেশ থেকে চিকিৎসার জন্য আসা রোগীর পরিবারের, হসপিটালের কাছাকাছি কোন গেস্ট হাউস বা হোটেলে থাকার জন্য ব্যবস্থা ও সব রকমের সাহায্য, ডিসান করে থাকে ।

আরও জানতে
ই-মেল:info@desunhospital.com (24 ঘন্টা) অথবা,
 ফোন:(+91) 86977 21124 / (+91) 83340 31345 (সোম – শনি, সকাল 10 টা – সন্ধ্যে 6 টা)

 

 

নি-রিপ্লেসমেণ্ট কী ?

কেন নি-রিপ্লেসমেন্ট সার্জারী করা হয় ?

নি-রিপ্লেসমেন্ট সার্জারী করতে কত সময় লাগে ও সার্জারি করার কতদিন পর সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া যায় ?

 

ডিসানের অর্থোপেডিক বিভাগ, অত্যন্ত আধুনিক পদ্ধতিতে বিভিন্ন সার্জারী ও চিকিৎসা করে থাকে। ডিসানের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা অত্যাধুনিক আর্থোস্কোপিক ও রিকনস্ট্রাকটিভ প্রযুক্তির সাহায্যে শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন জয়েন্ট বদলানোর অপারেশন করে থাকে ।

বর্তমানে নি- রিপ্লেসমেন্ট (হাঁটু বদলানো), এক অত্যন্ত সফল ও নির্ভরযোগ্য অর্থোপেডিক অপারেশন । শতকরা 97 জন পেশেন্টর ক্ষেত্রে এই অপারেশন পুরো সফল হয় । ভারতে সবচাইতে কম খরচে, ডিসান প্রায় প্রত্যেক দিনই এই অপারেশন করে থাকে ।

 

নি-রিপ্লেসমেণ্ট কী ?

নি-রিপ্লেসমেন্ট (হাঁটু বদলানো) একটি অপারেশন, যার সাহায্যে হাঁটুর অকেঁজো অংশ বদলে দেওয়া হয়। এই অপারেশনের সাহায্যে হাঁটুর ব্যাথা সারানো যায় । এছাড়া, চলাফেরা ও কাজ করার ক্ষমতা বাড়ানোর জন্যও এই অপারেশন করা হয় ।

 

কখন নি-রিপ্লেসমেন্ট সার্জারী করানোর প্রয়োজন হয় ?

হাঁটুর জয়েন্টের কোনো অংশ অকেঁজো হয়ে গেলে, সেখান থেকে হাঁটুতে ব্যাথা হয় ও রোজকার কাজকর্ম, চলাফেরা করতে অসুবিধে হয় । এই রকম অবস্থায় চিকিৎসক, নি-রিপ্লেসমেন্ট সার্জারীর পরামর্শ দিয়ে থাকেন । এছাড়া রিউমাটয়েড আর্থরাইটিস (হঁটুতে ব্যাথা, ফুলে যাওয়া ও হাঁটু ঘোরাতে সমস্যা হয়), অস্টিওনেক্রসিস বা অ্যাভাসকুলার নেক্রসিস (হাড়ে রক্ত চলাচল বাঁধা পাওয়ার ফলে, হাড়ের কোষ মরে যায়) এর মত হাঁটুর কোনো রোগ, বোন টিউমার বা অঘাত লাগা থেকে হাঁটুর জয়েন্টর কোন হাড় ভেঙে গেলে বা জয়েন্টে কোন সমস্যা দেখা দিলেও নি-রিপ্লেসমেন্ট সার্জারীর প্রয়োজন হতে পারে ।

 

কেন নি-রিপ্লেসমেন্ট সার্জারী করা হয় ?

  • হাঁটুর ব্যাথা সারাতে ।
  • স্বাভাবিক ভাবে চলাফেরা ও কাজ করার ক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে ।
  • জীবন যাপন সহজ ও সুন্দর করে তুলতে ।
 

নি-রিপ্লেসমেন্ট সার্জারীর পর কী হয় ?

নি-রিপ্লেসমেন্ট সার্জারীর একদম পরেই , ভারী কোনো কাজকর্ম বা চলাফেরা করতে মানা করা হয় । চিকিৎসক শুধু , নির্দিস্ট কয়েকটি হালকা ব্যায়াম করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন ।

 

নি-রিপ্লেসমেন্ট সার্জারী করতে কত সময় লাগে ও সার্জারী করার কতদিন পর সম্পুর্ণ সুস্থ হওয়া যায় ?

নি-রিপ্লেসমেন্ট সার্জারী করতে প্রায় 2 ঘন্টা সময় লাগে | সার্জারীর পর সম্পুর্ণ সুস্থ হতে প্রায় 3 মাস সময় লাগে |

 

কীভাবে ডিসানে প্যাকেজের পেমেন্ট নেওয়া হয় ?

  • নগদ টাকায় বা ক্রেডিট / ডেবিট কার্ডে চিকিৎসার খরচ দেওয়া যেতে পারে ।
 

চিকিৎসার জন্য রোগীরা ডিসানকেই বেছে নেন কেন ?

ভারতে সবচাইতে ভাল হসপিটাল গুলির মধ্যে, ডিসান একটি

  • সবচাইতে কম সময়ের মধ্যে, ভারত সরকারের কাছ থেকে উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য ডিসান, NABH (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর হসপিটালস) স্বীকৃতি লাভ করেছে । পুরো ভারতে NABH সংস্থা কে J.C.A.H.O (জয়েন্ট কমিশন ফর আমেরিকান হেলথ কেয়ার অর্গানাইজেশন) এবং J.C.I (জয়েন্ট কমিশন ইন্টারন্যাশনাল) এর সমান মনে করা হয় । এই দুই সংস্থার নিরিখেই আমেরিকার হসপিটালগুলিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয় ।
  • নভেম্বর, 2011-র “দি উইক” নামে এক জাতীয় পত্রিকা, পুরো ভারতে সমীক্ষা (সার্ভে) করে “ভারতের সেরা হসপিটাল” এর একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল । ডিসান হসপিটাল ছিল, সেই তালিকার প্রথম দশের মধ্যে ।
  • উচ্চমানের দৈনিক ও অত্যাধুনিক (সুপারস্পেস্যালিটি) প্যাথলজি টেস্টের জন্য, ডিসানের প্যাথলজি ল্যাব NABL (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর ল্যাবরোটরি) স্বীকৃতি পেয়েছে । পূর্ব-ভারতে একমাত্র ডিসান প্যাথলজি ল্যাব, PCR ও ফ্লো সাইটোমেট্রির মত বিশেষ টেস্ট গুলি নিজেদের ল্যাবেই করে থাকে; যার ফলে রোগীদের চিকিৎসায় অনেক সাহায্য হয় । অনান্য হসপিটালে এইসব টেস্ট গুলি করতে, মুম্বই বা দীল্লী পাঠানো হয় । ফলে রোগীদের টেস্টের রিপোর্ট জানতে 3 থেকে 4 দিন অপেক্ষা করতে হয় । কিন্তু ডিসানের নিজস্ব সুপারস্পেস্যালিটি ল্যাব থাকায় রোগীদের অপেক্ষা করতে হয় না ও চিকিৎসাও খুব তাড়াতাড়ি ও সঠিক ভাবে শুরু করা যায় ।
 

রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের মানদন্ডে, ডিসান প্রথমে

  • পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য পরিকল্পনা (ওয়েস্ট-বেঙ্গল হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের মাত্র 7 টি হসপিটাল “প্রথম শ্রেনীর পরিষেবা প্রদানকারী হসপিটাল” (ক্লাস 1 হসপিটাল সার্ভিস প্রোভাইডার)” হিসেবে বিবেচিত । ডিসান এদের মধ্যে প্রথম ।
  • পূর্ব-ভারতে 100 টির বেশি হসপিটাল কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য পরিকল্পনা (সেন্ট্রাল গর্ভমেন্ট হেলথ স্কীম) অনুযায়ী যুক্ত। এদের মধ্যে মাত্র 2 টি হসপিটাল উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দিয়ে “অতি-বিশেষ হসপিটাল (সুপারস্পেস্যালিটি হসপিটাল)”-এর মর্যাদা পেয়েছে এবং ডিসান তার মধ্যে একটি ।
 

অপারেশন করার জন্য, ডিসানই সবচাইতে সুরক্ষিত

  • অপারেশনের সময় যেকোন সার্জেনের, প্রধান যেদুটি ভয় থাকে সেগুলি হল; অপারেশন থিয়েটর থেকে ইনফেকশন ছড়ানোর ভয় ও দ্বিতীয়টি হল অপারেশনের আগে বা পড়ে আসা কোন কার্ডিয়াক সমস্যা । এই দুটির মধ্যে যেকোন একটি হলে, খুব ভাল চিকিৎসকেরও কিছু করার থাকে না । ডিসান হসপিটাল, কলকাতার একমাত্র হসপিটাল যেখানে অপারেশন থিয়েটর সম্পূর্ন স্টীলের (স্টীল ওটি) যার ফলে, ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় থাকেই না । এবং হার্টের সমস্যা সামলানোয় ডিসান, কলকাতার সবচেয়ে বড় হার্ট ইনস্টিটিউট । ডিসানে, অপারেশনের পরেও রোগীকে, চিকিৎসক ও নার্সের বিশেষ দেখভালে রাখা হয় ।
 

সব সময়ের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা, ডিসানে উপস্থিত

  • ডিসানের 28 টি মেডিকেল বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা 24 ঘন্টার জন্যই উপস্থিত । কোন রোগী বিশেষ কোন সমস্যা নিয়ে ভর্তি হওয়ার পর, তার সাথে আরও বিভিন্ন সমস্যা আসতে দেখা যায়, যার জন্য অন্য বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রয়োজন হতে পারে । এইক্ষেত্রে ডিসানে, তার নিজস্ব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সব সময়ের জন্য উপস্থিত থাকে যা অন্য হসপিটালে অনেক সময়ই থাকে না ।
 

Important Contacts

দ্রুত যোগাযোগ

আপনার প্রতিবেদন সংযুক্ত