এমার্জেন্সি নম্বর :
90 5171 5171 / 83340 31345

ইক্সিসিয়ান অব সাককিউটেনিয়াস সিস্ট

 

ইক্সিসিয়ান অব সাককিউটেনিয়াস সিস্ট প্যাকেজ : জেনে নিন আপনার প্যাকেজ মূল্য এবং অন্যান্য বিবরণ

এই প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে :

  • 8 ঘন্টার জন্য বেডচার্জ
  • এই প্যাকেজের সঙ্গে যুক্ত সব টেস্ট, ওষুধ ও আনুষাঙ্গিক জিনিসের খরচ ।
  • ডাক্তারের ফি
  • অপারেশন থিয়েটর এর চার্জ

 

এই প্যাকেজের মধ্যে নেই :

  • এই প্যাকেজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয় ,যেকোন অসুস্থতার চিকিৎসা ও টেস্টের খরচ
  • প্রসিডিওরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয় এমন জাতীয় ইনভেস্টিগেশন
  • বাইপ্সিচার্জ
আরও জানতে
ই-মেল:info@desunhospital.com (24 ঘন্টা) অথবা,
 ফোন:(+91) 86977 21124 / (+91) 83340 31345 (সোম – শনি, সকাল 10 টা – সন্ধ্যে 6 টা)
 

কি কি কারনে সিস্ট হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয় ?

কেমনভাবে একজন ফিজিশিয়ান সিস্ট ধরতে পারেন ?

সিস্ট রোধ করার চিকিৎসা কি?

 

 

সিস্ট বলতে কি বোঝায়?

সাধারণত ফ্লুইড,গ্যাস বা সেমিসলিড পদার্থ থাকে সিস্টে ।যেটি শরীরের ভেতরে টিস্যুর অংশ নয় । এটা খুব সাধারণ এক সমস্যা যা যেকোনও বয়সী মানুষের শরীরের যেকোনও অংশে হতে পারে । সিস্ট সাধারণত বিভিন্ন সাইজের হতে পারে । কোন কোনও ক্ষেত্রে সিস্টের সাইজ এতো সুক্ষ্ম হয়ে থাকে যা কেবলমাত্র মাইক্রোস্কোপেই ধড়া পড়ে । আবার অনেক ক্ষেত্রে তা ক্রমশ বাড়তে বাড়তে শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রতঙ্গ ও টিস্যুর ক্ষতি করে । এমনকি অঙ্গপ্রতঙ্গের স্থানও দখল করে নিতে পারে । সিস্টের বাইরের অংশকে ক্যাপসুল বলা হয় ।

 

কি কি কারনে সিস্ট হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয় ?

নিম্নলিখিত বেশ কয়েকটি কারনে সিস্ট হতে পারে , যেমন-

  • শরীর থেকে ফ্লুইড স্বাভাবিকভাবে বের না হলে
  • কোনও প্রকার ইনফেকশন দেখা দিলে
  • টিউমার
  • ক্রনিক ইনফ্লামেটোরি কন্ডিশন
  • জিনগত কোনও অবস্থা
  • এমব্রোতে কোনও অঙ্গ প্রতঙ্গের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হলে
 

সিস্ট হওয়ার লক্ষণ কি কি ?

মাঝেমধ্যে আপনি নিজেই সিস্ট হয়েছে তা বুঝতে পারবেন ।উদাহরন স্বরূপ বলা যায় ত্বকে সিস্ট দেখা দিলে (ডারমাল সিস্ট) । এই জাতীয় সিস্ট ত্বক ছাড়া টিস্যুতেও হতে পারে । এবং তখন তা লক্ষনীয় হয়ে ওঠে । আপনার মামারি গ্ল্যান্ড (স্তন) এ আঙ্গুলের ডগা দিয়ে পরীক্ষা করলেও সিস্ট বোঝা যায় ।

শরীরের ভেতরে সিস্ট দেখা দিলে যেমন কিডনি,ওভারি (ডিম্বাশয়),লিভার-এ সিস্ট হলে বাইরে থেকে কোন লক্ষণ বোঝা যায় না ।

 

কেমনভাবে একজন ফিজিশিয়ান সিস্ট ধরতে পারেন ?

নিম্নলিখিত কয়েকটি টেস্টের মাধ্যমে সিস্ট ধরা সম্ভব

  • আল্ট্রাসাউন্ড
  • ক্যাট স্ক্যান
  • এমআরআই

সিস্টের ক্ষেত্রে কখনও উপসর্গ দেখা দেয় আবার কখনও দেখা দেয় না । সিস্টের উপসর্গ তার সাইজ এবং কোথায় হয়েছে (অবস্থান) তার ওপর নির্ভর করে । যেসকল সিস্টগুলি অপেক্ষাকৃত বড় হয়ে সাধারণ টিস্যুর স্থান পরিবর্তন করে ক্ষতি করে, সেই জাতীয় বৃহৎ টিস্যুগুলির উপসর্গ খুব সহজেই ধরা সম্ভব ।

 

কি কি ধরনের সিস্ট হয়ে থাকে ?

শরীরে 100 ধরনের সিস্ট হয় । তার মধ্যে কিছু নিচে উল্লেখ করা হল

  • স্তনে সিস্ট দেখা দিতে পারে । যা প্রলিফেরাটিভ (ফাইব্রোসিস্টিক)অসুখের লক্ষণ বহন করে । ফাইব্রোসিস্টিক ব্রেস্ট ডিজিজ নামে পরিচিত ।
  • ওভারিয়ান সিস্ট বা ডারময়েড সিস্ট । (এক বিশেষ ধরনের ওভারিয়ান টিউমার যা শরীরের অন্যান্য টিস্যুর ক্ষতি করে এবং পরবর্তীকালে এর থেকে সিস্ট হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয় ।)
  • থাইরড গ্ল্যান্ডে সিস্ট ।
  • ব্যাকের সিস্ট (পপলিটিল), হাটুর পিছনভাগে ।
  • শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট ও টেনডনে গ্যাংগলিয়ন সিস্ট হয়ে থাকে ।
  • অনেকসময় চোখের গ্যাল্ডেও বিশেষ ধরনের সিস্ট হয় । একে চালাজিয়ানস বলা হয়।
  • ত্বকের ছোট গ্ল্যান্ডে সেবাকিয়াস সিস্ট
  • ত্বকে এপিডারমাল সিস্ট । অনেকসময় যা এপিডারমাল ইনক্লুয়েশন অব সিস্ট নামেও পরিচিত । মুখ,মাথার তালু,গলা শরীরের বিভিন্ন অংশে দেখা যায় ।
  • বারথলিন সিস্ট ( মহিলাদের যৌনাঙ্গের শুরুতে বা যোনিদ্বারে ছোট গ্ল্যান্ডস অপেক্ষাকৃত বড় হয়ে যায় )।
  • পিনিয়াল সিস্ট,মস্তিষ্কের পিনিয়াল গ্ল্যান্ডে এই সিস্ট হয়
  • প্যাক্রিয়াটিকে সিস্ট
  • পলিসিস্টিক কিডনি অসুখ,এক্ষেত্রে কিডনিতে একাধিক সিস্ট ধরা পড়তে পারে ।
 

সিস্ট রোধ করার চিকিৎসা কি?

শরীরের ঠিক কোন অংশে সিস্ট হয়ছে বা সিস্টের অবস্থান জানার পরই চিকিৎসা শুরু করা হয় । যেসকল সিস্ট গুলি আয়োতনে বড় হয় এবং উপসর্গ দেখা দেয় সেগুলি অস্ত্রপ্রচার বা সার্জারী করে বাদ দেওয়া হয় । সার্জারীর সময় অনেকসময় দেখা গেছে সিস্ট থেকে তরল বের হতে শুরু করেছে সেক্ষেত্রে ছুঁচ বা ক্যাথিটারের সাহায্যে সিস্ট বাদ দেওয়া হয় ।

সার্জারীর মাধ্যমে সিস্ট বাদ দেওয়া মাঝে মধ্যে প্রয়োজীয় হয়ে পড়ে । যদি কোনও সিস্ট পরবর্তীকালে ক্যানসারে পরীণত হয় তখন সার্জারী বা সেই সিস্টের বাইপ্সি আবশ্যক হয় । সিস্টের বাইরের ভাগ যা ক্যাপসুল নামে পরিচিত তা পরে মালিগন্যানসি ছড়াতে পারে ।

যদি ক্রনিক মেডিক্যাল কন্ডিশনের অধীনে সিস্ট হয়ে থাকে (পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রম বা ফাইব্রোসিস্টিক ব্রেস্ট ডিজিস) ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয় ।

 

কীভাবে ডিসানে প্যাকেজের পেমেন্ট নেওয়া হয় ?

  • নগদ টাকায় বা ক্রেডিট / ডেবিট কার্ডে চিকিৎসার খরচ দেওয়া যেতে পারে ।
 

চিকিৎসার জন্য রোগীরা ডিসানকেই বেছে নেন কেন ?

ভারতে সবচাইতে ভাল হসপিটাল গুলির মধ্যে, ডিসান একটি

  • সবচাইতে কম সময়ের মধ্যে, ভারত সরকারের কাছ থেকে উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য ডিসান, NABH (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর হসপিটালস) স্বীকৃতি লাভ করেছে । পুরো ভারতে NABH সংস্থা কে J.C.A.H.O (জয়েন্ট কমিশন ফর আমেরিকান হেলথ কেয়ার অর্গানাইজেশন) এবং J.C.I (জয়েন্ট কমিশন ইন্টারন্যাশনাল) এর সমান মনে করা হয় । এই দুই সংস্থার নিরিখেই আমেরিকার হসপিটালগুলিকে স্বীকৃতি
    দেওয়া হয় ।
  • নভেম্বর, 2011-র “দি উইক” নামে এক জাতীয় পত্রিকা, পুরো ভারতে সমীক্ষা (সার্ভে) করে “ভারতের সেরা হসপিটাল” এর একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল । ডিসান হসপিটাল ছিল, সেই তালিকার প্রথম দশের মধ্যে ।
  • উচ্চমানের দৈনিক ও অত্যাধুনিক (সুপারস্পেস্যালিটি) প্যাথলজি টেস্টের জন্য, ডিসানের প্যাথলজি ল্যাব NABL (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর ল্যাবরোটরি) স্বীকৃতি পেয়েছে । পূর্ব-ভারতে একমাত্র ডিসান প্যাথলজি ল্যাব, PCR ও ফ্লো সাইটোমেট্রির মত বিশেষ টেস্ট গুলি নিজেদের ল্যাবেই করে থাকে; যার ফলে রোগীদের চিকিৎসায় অনেক সাহায্য হয় । অনান্য হসপিটালে এইসব টেস্ট গুলি করতে, মুম্বই বা দীল্লী পাঠানো হয় । ফলে রোগীদের টেস্টের রিপোর্ট জানতে 3 থেকে 4 দিন অপেক্ষা করতে হয় । কিন্তু ডিসানের নিজস্ব সুপারস্পেস্যালিটি ল্যাব থাকায় রোগীদের অপেক্ষা করতে হয় না ও চিকিৎসাও খুব তাড়াতাড়ি ও সঠিক ভাবে শুরু করা যায় ।
 

রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের মানদন্ডে, ডিসান প্রথমে

  • পশ্চিমবঙ্গ স্বাহ্য পরিকল্পনা (ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের মাত্র 7টি হসপিটাল “ক্লাস 1 সার্ভিস প্রোভাইডার” (প্রথম শ্রেনীর পরিষেবা প্রদানকারী হসপিটাল) হিসেবে বিবেচিত। ডিসান, এদের মধ্যে প্রথম।
  • পূর্ব-ভারতে 100 টিরও বেশী হসপিটাল কেন্দ্রীয় স্বাহ্য পরিকল্পনা (সেন্ট্রাল গভর্মেন্ট হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে যুক্ত । এদের মধ্যে আবার মাত্র দুটি হসপিটাল উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য “সুপারস্পেস্যালিটি হসপিটাল” (অত্যাধুনিক হসপিটাল) এর মর্যাদা পেয়েছে ও ডিসান তার মধ্যে একটি ।
 

অপারেশন করার জন্য, ডিসানই সবচাইতে সুরক্ষিত

  • অপারেশনের সময় যেকোন সার্জেনের, প্রধান যেদুটি ভয় থাকে সেগুলি হল; অপারেশন থিয়েটর থেকে ইনফেকশন ছড়ানোর ভয় ও দ্বিতীয়টি হল অপারেশনের আগে বা পড়ে আসা কোন কার্ডিয়াক সমস্যা । এই দুটির মধ্যে যেকোন একটি হলে, খুব ভাল চিকিৎসকেরও কিছু করার থাকে না । ডিসান হসপিটাল, কলকাতার একমাত্র হসপিটাল যেখানে অপারেশন থিয়েটর সম্পূর্ন স্টীলের (স্টীল ওটি) যার ফলে, ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় থাকেই না । এবং হার্টের সমস্যা সামলানোয় ডিসান, কলকাতার সবচেয়ে বড় হার্ট ইনস্টিটিউট । ডিসানে, অপারেশনের পরেও রোগীকে, চিকিৎসক ও নার্সের বিশেষ দেখভালে রাখা হয় ।
 

সব সময়ের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা, ডিসানে উপস্থিত

  • ডিসানের 28 টি মেডিকেল বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা 24 ঘন্টার জন্যই উপস্থিত । কোন রোগী বিশেষ কোন সমস্যা নিয়ে ভর্তি হওয়ার পর, তার সাথে আরও বিভিন্ন সমস্যা আসতে দেখা যায়, যার জন্য অন্য বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রয়োজন হতে পারে । এইক্ষেত্রে ডিসানে, তার নিজস্ব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সব সময়ের জন্য উপস্থিত থাকে যা অন্য হসপিটালে অনেক সময়ই থাকে না ।
 

Important Contacts

দ্রুত যোগাযোগ

আপনার প্রতিবেদন সংযুক্ত