এমার্জেন্সি নম্বর :
90 5171 5171 / 83340 31345

বাইপাস সার্জারী

 

হার্ট বাইপাস সার্জারী (CABG) : জেনে নিন আপনার প্যাকেজ মূল্য এবং অন্যান্য বিবরণ

এই প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে :

  • হসপিটালে 8 দিনের বেড চার্জ
  • এই প্যাকেজের সাথে যুক্ত সব টেস্ট, ওষুধ ও আনুষাঙ্গিক জিনিসের খরচ
  • ডাক্তারের ফি
  • অপারেশন থিয়েটর এর চার্জ

 

এই প্যাকেজের মধ্যে নেই :

  • রক্তের খরচ আলাদা
  • ইন্ট্রা আয়োরটিক বেলুন এর খরচ ( যদি ব্যবহার করা হয় )
  • 8 দিনের বেশী হসপিটালে থাকার খরচ
  • এই প্যাকেজের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, যে কোনো অসুস্থতার চিকিৎসা ও টেস্টের খরচ

 

বাইরে থেকে আসা রোগীর পরিবারের থাকার ব্যবস্থা

ভিন্ন রাজ্য বা দেশ থেকে চিকিৎসার জন্য আসা রোগীর পরিবারের, হসপিটালের কাছাকাছি কোন গেস্ট হাউস বা হোটেলে থাকার জন্য ব্যবস্থা ও সব রকমের সাহায্য, ডিসান করে থাকে ।

আরও জানতে
ই-মেল:info@desunhospital.com (24 ঘন্টা) অথবা,
 ফোন:(+91) 86977 21124 / (+91) 83340 31345 (সোম – শনি, সকাল 10 টা – সন্ধ্যে 6 টা)
 

চিকিৎসক, আপনার বাবার জন্য CABG (করোনারী আর্টারী বাইপাস গ্রাফটিং) করানোর পরামর্শ দিয়েছেন । কিন্তু আপনি দেশের বাইরে থাকায়, বাবার বাইপাস সার্জারী ভারতে কিভাবে করাবেন সে নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেছেন । এখন আর চিন্তা না করে, বাবাকে নিয়ে সোজা ডিসানে চলে আসুন।

ডিসানের, 2 টি ডিজিটাল ক্যাথ ল্যাব (অত্যাধুনিক যন্ত্র, যার সাহায্যে অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি, অ্যাঞ্জিওগ্রাম এর মতন অপারেশন করা হয়), 6 টি কার্ডিয়াক অপারেশন থিয়েটর ও 54 টি পোস্ট-অপেরেটিভ কার্ডিয়াক I.T.U বেডের কার্ডিওলজি বিভাগে, সব থেকে কম খরচে হার্ট সার্জারী করা হয় এবং অপারেশনে সাফল্যের হার, ডিসানে সবচাইতে বেশি।

ডিসান, বিশ্বমানের কার্ডিওলজিস্ট ও কার্ডিয়াক সার্জেনএর সাহায্যে অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে অপারেশন করে, তাই হার্ট সার্জারীতে ডিসান প্রথম স্থানে। ডিসানের, এমনই একটি আধুনিক অপারেশন হল, বিটিং হার্ট আর্টেরিয়াল বাইপাস সার্জারী যেখানে, অপারেশন করার সময়ও হার্ট স্বাভাবিক ভাবে কাজ করে অর্থাৎ হার্ট-বিট বন্ধ হয় না এবং পায়ের শিরার বদলে হাত বা বুকের ধমনী (আর্টেরিয়াল বাইপাস সার্জারী ) ব্যবহার করা হয় । আর্টেরিয়াল বাইপাস সার্জারী ( ধমনীর ব্যবহারে বাইপাস) প্রায় 25 বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকে যেখানে শিরা ব্যবহার করে বাইপাস সার্জারী করলে তা 10 বছরের বেশি কার্যকর থাকে না এবং আর্টেরিয়াল বাইপাস সার্জারীতে রোগীর পায়ে কোনো ক্ষতেরও সৃস্টি হয় না ।

 

বাইপাস সার্জারীবা CABG কী ?

কখন বাইপাস সার্জারীর প্রয়োজন হয় ?

পরবর্তীকালে কীভাবে হার্টের কোনো সমস্যা আটকানো যায় ?

 

বাইপাস সার্জারী বা CABG কী ?

CABG (করোনারী আর্টারী বাইপাস গ্রাফটিং) বা বাইপাস সার্জারী একটি অপারেশন, যার সাহায্যে বুক, হাত বা পা থেকে শিরা বা ধমনী নিয়ে হার্টের ধমনীর (করনারী আর্টারী) সাথে যুক্ত করে, রক্ত চলাচলের অন্য আরেকটি পথ করে দেওয়া হয় । হার্টের করোনারী সম্পর্কিত কোনো সমস্যায় বা হার্টে রক্ত প্রবাহ কমে গেলে, এই অপারেশনের মাধ্যমে রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক করা হয় ।বর্তমানে বাইপাস সার্জারী, করোনারী সংক্রান্ত রোগের চিকিৎসায় খুব প্রচলিত ও সফল একটি অপারেশন ।

 

বিটিং হার্ট আর্টেরিয়াল বাইপাস বা বিটিং হার্ট CABG সার্জারী কী ?

1980 সালে, যখন প্রথম বাইপাস সার্জারী করা শুরু হয়; তখন সার্জারী করার সময় হার্ট বিট বা হৃদ-স্পন্দন থামিয়ে, “হার্ট-লাং মেশিন” এর সাহায্যে হার্টের কাজ, কৃত্রিম ভাবে করা হত । সার্জারী করার পর, হার্টকে আবার সক্রিয় করা হত ও হার্ট তার কাজ করা শুরু করত ।

কিন্তু, 1990 শতকের শেষের দিকে USA তে “বিটিং হার্ট” বলে এক নতুন বাইপাস সার্জারী করার প্রযুক্তি আবিস্কার হয়, যা পরবর্তী কালে ভারতেও আসে । বিটিং হার্ট পদ্ধতিতে, হার্টের যে অংশে সার্জারী করা হবে, হার্টের সেই অংশের কাজ “স্টার” নামে এক বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে অত্যন্ত ধীর বা আস্তে করে দেওয়া হয় । তারপর, সার্জেন খুব আস্তে আস্তে বাইপাস সার্জারী করা শুরু করেন । সার্জারীর পর, “স্টার” নামের যন্ত্রটি সরিয়ে দেওয়া হলেই হার্ট আবার আগের মতন স্বাভাবিক ভাবে কাজ করা শুরু করে ।

বিটিং হার্ট পদ্ধতিতে বাইপাস সার্জারী করার অনেক সুবিধা রয়েছে, যেমন- এই পদ্ধতিতে বাইপাস করা হলে, রোগী খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠেন ও সার্জারী করার সময়, ঝুঁকিও অনেক কম থাকে । যদিও, এখনো পর্যন্ত সার্জেন বিটিং হার্ট পদ্ধতিতে বাইপাস সার্জারী করার সময়ও “ হার্ট-লাং মেশিন” সাথে রাখেন, যাতে প্রয়োজন হলে আগের পুরনো সার্জারী পদ্ধতির ব্যবহার করতে পারেন ।

ডিসানে, 95 শতাংশেরও বেশী বাইপাস সার্জারী, বিটিং হার্ট পদ্ধতিতে করা হয় । যেখানে, USA তেও মাত্র 70 শতাংশ বাইপাস সার্জারী অপারেশন, বিটিং হার্ট পদ্ধতিতে সফল ভাবে করা হয় । বিটিং হার্ট সার্জারীর মত জটিল অপারেশন, সফল ভাবে করার জন্য, কার্ডিয়াক সার্জেন থেকে কার্ডিয়াক অ্যানাসথেসিস্ট, পারফিউশনিস্ট, মেডিকেল ফিসিসিস্ট, ওটি নার্স ও ওটি টেকনিশিয়ান পর্যন্ত সকলের দক্ষতার প্রয়োজন হয়; ঠিক যেমন ডিসানের, কার্ডিয়াক সার্জারী দল যে কোন জটিল হার্ট চিকিৎসা বা সার্জারী করায় দক্ষ ও অভিজ্ঞ ।

 

কখন বাইপাস সার্জারীর প্রয়োজন হয় ?

  • হার্টের কোন করনারী ধমনী বন্ধ হয়ে, হার্টে যদি স্বাভাবিক রক্ত প্রবাহ না হয় তাহলে বাইপাস সার্জারীর প্রয়োজন হয় ।
  • ভবিষ্যতে করোনারী সম্পর্কিত কোনো হার্টের সমস্যা হওয়ার সম্ভবনা থাকলেও চিকিৎসক, বাইপাস সার্জারীর পরামর্শ দিয়ে থাকেন ।
 

বাইপাস সার্জারীর সুবিধা কী ?

বাইপাস সার্জারীর ফলে হার্টে রক্ত প্রবাহ বেড়ে যায় ফলে, করোনারী হৃদ রোগের সম্ভাবনা অনেক কমে যায় এবং শরীর আগের চাইতে সুস্থ ও সতেজ মনে হয় ।

 

পরবর্তীকালে কীভাবে হার্টের কোনো সমস্যা আটকানো যায় ?

রোজকার জীবনযাত্রা ও অভ্যেস, হার্টের যেকোনো সমস্যার উপর প্রভাব ফেলে । হার্টের সমস্যা এড়াতে হলে, বাইপাস সার্জারীর পর কয়েকটি জিনিস অবশ্যই মেনে চলা উচিত-

  • চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ নিয়মিত নিতে হবে ।
  • ধূমপান, যতটা সম্ভব কম করে দিতে হবে ।
  • স্বাহ্যকর খাবার খেতে হবে ।
  • রোজ কিছু হালকা কাজকর্ম , ব্যায়াম বা হাঁটাচলা করা উচিত ।
  • ব্লাড প্রেসার (রক্ত চাপ ), কোলেস্টেরল, ও ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে ।
  • ব্লাড সুগার (মধুমেহ) থাকলে, রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ স্বাভাবিক রাখতে হবে ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ নিতে হবে ।
 

কীভাবে ডিসানে প্যাকেজের পেমেন্ট নেওয়া হয় ?

  • নগদ টাকায় বা ক্রেডিট / ডেবিট কার্ডে চিকিৎসার খরচ দেওয়া যেতে পারে ।
 

চিকিৎসার জন্য রোগীরা ডিসানকেই বেছে নেন কেন ?

ভারতে সবচাইতে ভাল হসপিটাল গুলির মধ্যে, ডিসান একটি

  • সবচাইতে কম সময়ের মধ্যে, ভারত সরকারের কাছ থেকে উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য ডিসান, NABH (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর হসপিটালস) স্বীকৃতি লাভ করেছে । পুরো ভারতে NABH সংস্থা কে J.C.A.H.O (জয়েন্ট কমিশন ফর আমেরিকান হেলথ কেয়ার অর্গানাইজেশন) এবং J.C.I (জয়েন্ট কমিশন ইন্টারন্যাশনাল) এর সমান মনে করা হয় । এই দুই সংস্থার নিরিখেই আমেরিকার হসপিটালগুলিকে স্বীকৃতি
    দেওয়া হয় ।
    নভেম্বর, 2011-র “দি উইক” নামে এক জাতীয় পত্রিকা, পুরো ভারতে সমীক্ষা (সার্ভে) করে “ভারতের সেরা হসপিটাল” এর একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল । ডিসান হসপিটাল ছিল, সেই তালিকার প্রথম দশের মধ্যে ।
  • উচ্চমানের দৈনিক ও অত্যাধুনিক (সুপারস্পেস্যালিটি) প্যাথলজি টেস্টের জন্য, ডিসানের প্যাথলজি ল্যাব NABL (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশ বোর্ড ফর ল্যাবরোটরি) স্বীকৃতি পেয়েছে । পূর্ব-ভারতে একমাত্র ডিসান প্যাথলজি ল্যাব, PCR ও ফ্লো সাইটোমেট্রির মত বিশেষ টেস্ট গুলি নিজেদের ল্যাবেই করে থাকে; যার ফলে রোগীদের চিকিৎসায় অনেক সাহায্য হয় । অনান্য হসপিটালে এইসব টেস্ট গুলি করতে, মুম্বই বা দীল্লী পাঠানো হয় । ফলে রোগীদের টেস্টের রিপোর্ট জানতে 3 থেকে 4 দিন অপেক্ষা করতে হয় । কিন্তু ডিসানের নিজস্ব সুপারস্পেস্যালিটি ল্যাব থাকায় রোগীদের অপেক্ষা করতে হয় না ও চিকিৎসাও খুব তাড়াতাড়ি ও সঠিক ভাবে শুরু করা যায় ।
 

রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের মানদন্ডে, ডিসান প্রথমে

  • পশ্চিমবঙ্গ স্বাহ্য পরিকল্পনা (ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের মাত্র 7টি হসপিটাল “ক্লাস 1 সার্ভিস প্রোভাইডার” (প্রথম শ্রেনীর পরিষেবা প্রদানকারী হসপিটাল) হিসেবে বিবেচিত। ডিসান, এদের মধ্যে প্রথম।
  • পূর্ব-ভারতে 100 টিরও বেশী হসপিটাল কেন্দ্রীয় স্বাহ্য পরিকল্পনা (সেন্ট্রাল গভর্মেন্ট হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে যুক্ত । এদের মধ্যে আবার মাত্র দুটি হসপিটাল উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য “সুপারস্পেস্যালিটি হসপিটাল” (অত্যাধুনিক হসপিটাল) এর মর্যাদা পেয়েছে ও ডিসান তার মধ্যে একটি ।
 

অপারেশন করার জন্য, ডিসানই সবচাইতে সুরক্ষিত

  • অপারেশনের সময় যেকোন সার্জেনের প্রধান যে 2টি ভয় থাকে তাহল, অপারেশন থিয়েটর থেকে ইনফেকশন ছড়ানোর ভয় ও আরেকটি হল অপারেশনের আগে বা পরে আসা কার্ডিয়াক কোনো সমস্যা । এই 2টির মধ্যে যেকোন একটা হলে খুব ভাল চিকিৎসকেরও, কিছু করার থাকে না । ডিসান, কলকাতার একমাত্র হসপিটাল যেখানে, অপারেশন থিয়েটর পুরো সটীলের (স্টীল ওটি) তৈরী যার ফলে, ইনফেকশন হওয়ার সম্ভবনা প্রায় থাকেই না । অপারেশনের পরেও রোগীকে চিকিৎসক ও নার্সের বিশেষ দেখভালে রাখা হয় । এছাড়া, ডিসান হার্টের যেকোনো সমস্যা সামলানোয়, কলকাতার সবচেয়ে বড় হার্ট ইনস্টিটিউট ।
 

Important Contacts

দ্রুত যোগাযোগ

আপনার প্রতিবেদন সংযুক্ত