এমার্জেন্সি নম্বর :
90 5171 5171 / 83340 31345

অ্যাঞ্জিওগ্রাম

 

হার্ট অ্যাঞ্জিওগ্রাম (C.A.G) : জেনে নিন আপনার প্যাকেজ মূল্য এবং অন্যান্য বিবরণ

এই প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে :

  • হসপিটালে 8 ঘন্টার বেড চার্জ
  • ক্যাথল্যাব এর খরচ
  • এই প্যাকেজের সাথে যুক্ত সব টেস্ট, ওষুধ ও আনুষাঙ্গিক জিনিসের খরচ
  • কার্ডিওলজিস্টের ফি

 

এই প্যাকেজের মধ্যে নেই :

  • এই প্যাকেজের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, যে কোনো অসুস্থতার চিকিৎসা ও টেস্টের খরচ
আরও জানতে
ই-মেল:info@desunhospital.com (24 ঘন্টা) অথবা,
 ফোন:(+91) 86977 21124 / (+91) 83340 31345 (সোম – শনি, সকাল 10 টা – সন্ধ্যে 6 টা)
 

করোনারী অ্যাঞ্জিওগ্রাম কী ?

কীভাবে করোনারী অ্যাঞ্জিওগ্রাম করা হয় ?

করোনারী হৃদ-রোগের চিকিৎসা ?

 

ডিসানে অ্যাঞ্জিওগ্রাম করালে, রুগী সেই দিনেই বাড়ি ফিরতে পারেন । পেনলেস বা ব্যাথাহীন রেডিয়াল অ্যাঞ্জিওগ্রাম নামে এক অত্যাধুনিক পদ্ধতির ব্যাবহার করা হয় বলে, রুগী কে 6 থেকে 8 ঘন্টার বেশি হসপিটালে থাকতে হয় না
(ডে- কেয়ার পদ্ধতি ) ।

 

করোনারী অ্যাঞ্জিওগ্রাম কী?

করোনারী অ্যাঞ্জিওগ্রাম, একটি পদ্ধতি যার সাহায্যে হার্ট এর ধমনীর (করোনারী আর্টারির) এক্স-রে করা হয় । হার্টের কোন ধমনীতে ফ্যাট জমে, পুরোপুরি বা কিছুটা বন্ধ হয়ে গেছে কিনা, সেটা বোঝার জন্য অ্যাঞ্জিওগ্রাম খুবই গুরুত্বপূর্ন একটি টেস্ট।

চিকিৎসক, হার্টের ধমনীতে কোন সমস্যা হয়েছে বলে মনে করলে এই টেস্ট করানোর পরামর্শ দেন ।

 

কখন করোনারী অ্যাঞ্জিওগ্রাম করানোর প্রয়োজন হয়?

  • হার্ট অ্যাট্যাক বা দীর্ঘ দিন ধরে হওয়া বুকে ব্যাথার চিকিৎসায় বা পরবর্তীকালে হার্ট অ্যাট্যাকের সম্ভবনা জানতে এই টেস্ট করা হয়।
  • করোনারী ধমণীর কতটা অংশ বন্ধ তার উপর নির্ভর করছে কোন চিকিৎসা (বাইপাস সার্জারি না অ্যআঞ্জিওপ্লাস্টি) তা বুঝতে এই টেস্ট করা হয়।
 

কীভাবে করোনারী অ্যাঞ্জিওগ্রাম করা হয়?

করোনারী অ্যাঞ্জিওগ্রামে রুগীকে লোকাল অ্যানাসথেসিয়া দেওয়া হয় । তারপর রুগির কব্জি, কনুই বা কুচকি থেকে একটা লম্বা নল (ক্যাথিটর) হার্ট পর্যণ্ত প্রবেশ করানো হয় । এই নল এর মধ্যে দিয়ে এক ধরনের ডাই (রং) পাঠিয়ে, “ক্যাথ ল্যাব” নামে এক অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে হার্ট এবং ধমনির এক্স-রে চিত্র নেওয়া হয় ।

 

করোনারী অ্যাঞ্জিওগ্রাম টেস্টে কতটা ঝুঁকি থাকে?

আরও অন্য সব মেডিকেল টেস্টের মত, এই টেস্টেও খুব কমই ঝুঁকি থাকে, সাধারনত কঠিন কোন সমস্যা হয় না । বেশীরভাগ রুগীর ক্ষেত্রে অ্যাঞ্জিওগ্রাম সহজ ভাবে করা যায় ।

 

করোনারী হৃদ-রোগের চিকিৎসা-

হার্টের ধমনী কতটা বন্ধ তার উপর নির্ভর করে চিকিৎসা করা হয় । কখনো শুধু ওষুধের সাহায্যেই বন্ধ ধমনী খুলে দেওয়া সম্ভব হয় , যাতে স্বাভাবিক ভাবে রক্ত চলাচল করতে পারে ।

কিন্তু ধমনী যদি বেশী বন্ধ থাকে তাহলে, চিকিৎসক বাইপাস সার্জারি বা অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টির মত অপারেশনের পরামর্শ দেন।

 

কীভাবে ডিসানে প্যাকেজের পেমেন্ট নেওয়া হয় ?

  • নগদ টাকায় বা ক্রেডিট / ডেবিট কার্ডে চিকিৎসার খরচ দেওয়া যেতে পারে ।
 

চিকিৎসার জন্য রোগীরা ডিসানকেই বেছে নেন কেন ?

ভারতে সবচাইতে ভাল হসপিটাল গুলির মধ্যে, ডিসান একটি

  • সবচাইতে কম সময়ের মধ্যে, ভারত সরকারের কাছ থেকে উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দেওয়ার জন্য ডিসান, এন.এ.বি.এইচ (ন্যাশন্যাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর হসপিটালস) স্বীকৃতি লাভ করেছে । পুরো ভারতে, এন.এ.বি.এইচ (ন্যাশন্যাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড ফর হসপিটালস) –কে, জে.সি.এ.এইচ.ও (জয়েন্ট কমিশন ফর আমেরিকান হেলথকেয়ার অর্গানাইজেশন) এবং জে.সি.আই (জয়েন্ট কমিশন ইন্টারন্যাশন্যাল) এর সমান মনে করা হয় –এই দুই সংস্থার হিসেবেই আমেরিকার হসপিটাল গুলিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয় ।
    নভেম্বর, 2011-র “দি উইক” নামে জাতীয় এক পত্রিকা, পুরো ভারতে সমীক্ষা (সার্ভে) করে “ভারতের সেরা হসপিটাল” এর একটা তালিকা প্রকাশ করেছিল, যেখানে ডিসান হসপিটাল ছিল প্রথম দশের মধ্যে ।
  • উচ্চমানের দৈনিক ও অত্যাধুনিক (সুপারস্পেস্যালিটি) প্যাথলজি টেস্টের জন্য, ডিসানের প্যাথলজি ল্যাব NABL (ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশ বোর্ড ফর ল্যাবরোটরি) স্বীকৃতি পেয়েছে । পূর্ব-ভারতে একমাত্র ডিসান প্যাথলজি ল্যাব, PCR ও ফ্লো সাইটোমেট্রির মত বিশেষ টেস্ট গুলি নিজেদের ল্যাবেই করে থাকে; যার ফলে রোগীদের চিকিৎসায় অনেক সাহায্য হয় । অনান্য হসপিটালে এইসব টেস্ট গুলি করতে, মুম্বই বা দীল্লী পাঠানো হয় । ফলে রোগীদের টেস্টের রিপোর্ট জানতে 3 থেকে 4 দিন অপেক্ষা করতে হয় । কিন্তু ডিসানের নিজস্ব সুপারস্পেস্যালিটি ল্যাব থাকায় রোগীদের অপেক্ষা করতে হয় না ও চিকিৎসাও খুব তাড়াতাড়ি ও সঠিক ভাবে শুরু করা যায় ।
 

রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের মানদন্ডে, ডিসান প্রথমে

  • পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য পরিকল্পনা (ওয়েস্ট-বেঙ্গল হেলথ স্কীম) অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের মাত্র 7 টি হসপিটাল “প্রথম শ্রেনীর পরিষেবা প্রদানকারী হসপিটাল” (ক্লাস 1 হসপিটাল সার্ভিস প্রোভাইডার)” হিসেবে বিবেচিত । ডিসান এদের মধ্যে প্রথম ।
  • পূর্ব-ভারতে 100 টির বেশি হসপিটাল কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য পরিকল্পনা (সেন্ট্রাল গর্ভমেন্ট হেলথ স্কীম) অনুযায়ী যুক্ত। এদের মধ্যে মাত্র 2 টি হসপিটাল উচ্চমানের চিকিৎসা ও পরিষেবা দিয়ে “অতি-বিশেষ হসপিটাল (সুপারস্পেস্যালিটি হসপিটাল)”-এর মর্যাদা পেয়েছে এবং ডিসান তার মধ্যে একটি ।
 

অপারেশন করার জন্য কলকাতার ডিসানই, সবচাইতে সুরক্ষিত

অপারেশনের সময় যেকোন সার্জেনের প্রধান যে 2টি ভয় থাকে তাহল, অপারেশন থিয়েটর থেকে ইনফেকশন ছড়ানোর ভয় ও আরেকটি হল অপারেশনের আগে বা পরে আসা কার্ডিয়াক কোনো সমস্যা । এই 2টির মধ্যে যেকোন একটা হলে খুব ভাল চিকিৎসকেরও, কিছু করার থাকে না । ডিসান, কলকাতার একমাত্র হসপিটাল যেখানে, অপারেশন থিয়েটর পুরো সটীলের (স্টীল ওটি) তৈরী যার ফলে, ইনফেকশন হওয়ার সম্ভবনা প্রায় থাকেই না । অপারেশনের পরেও রোগীকে চিকিৎসক ও নার্সের বিশেষ দেখভালে রাখা হয় । এছাড়া, ডিসান হার্টের যেকোনো সমস্যা সামলানোয়, কলকাতার সবচেয়ে বড় হার্ট ইনস্টিটিউট ।

 

সবসময়ের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা উপস্থিত

ডিসানের, 28 টি চিকিৎসা বিভাগেরই, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের 24 ঘন্টার জন্য পাওয়া যায় । কোনো রোগী বিশেষ কোন একটি সমস্যা নিয়ে ভর্তি হওয়ার পর তার সাথে আরও অন্য কোনো সমস্যা আসতেই পারে, যার জন্য অন্য বিভাগের কোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রয়োজন, যেকোন সময় হতে পারে । এইক্ষেত্রে ডিসানের নিজস্ব, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সবসময়ের জন্য উপস্থিত থাকে যা অন্য হসপিটালে অনেক সময় থাকে না ।

 

Important Contacts

দ্রুত যোগাযোগ

আপনার প্রতিবেদন সংযুক্ত